<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
     xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
     xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
     xmlns:admin="http://webns.net/mvcb/"
     xmlns:rdf="http://www.w3.org/1999/02/22-rdf-syntax-ns#"
     xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
     xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/">
<channel>
    <title>Bangladesh Todays || Today&amp;apos;s latest Bangla breaking news &amp; : বাণিজ্য</title>
    <link>https://bangladeshtodays.com/rss/category/business-news</link>
    <description>Bangladesh Todays || Today&amp;apos;s latest Bangla breaking news &amp; : বাণিজ্য</description>
    <dc:language>bn</dc:language>
    <dc:creator></dc:creator>
    <dc:rights>Copyright 2025&amp; All Rights Reserved.</dc:rights>
    <item>
        <title>সাত দিনে বাংলাদেশের রিজার্ভ কমেছে ৬ কোটি ডলার</title>
        <link>https://bangladeshtodays.com/সাত-দিনে-বাংলাদেশের-রিজার্ভ-কমেছে-৬-কোটি-ডলার</link>
        <guid>https://bangladeshtodays.com/সাত-দিনে-বাংলাদেশের-রিজার্ভ-কমেছে-৬-কোটি-ডলার</guid>
        <description><![CDATA[ <p><span>কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা মজুত কমছেই। এবারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে রিজার্ভ কমেছে ছয় কোটি মার্কিন ডলার। এতে করে রিজার্ভ কমে ২ হাজার ৮৯ কোটি ৭০ লাখ ডলারে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে রিজার্ভের এই চিত্র উঠে এসেছে।</span></p>
<p><span> বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম ৬ অনুসারে গত আগস্ট মাসের শুরুতে রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৩৩০ কোটি ডলার। চলতি মাসের শুরুতে তা কমে ২ হাজার ১০৫ কোটি ডলারে নামে। এর মানে দুই মাসে রিজার্ভ কমেছে ২২৫ কোটি ডলার। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে রিজার্ভ ২১ বিলিয়ন বা ২ হাজার ১০০ কোটি ডলারের নিচে নেমে আসে।</span></p>
<p><span>২০২১ সালের আগস্টে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ ছিল ৪ হাজার ৮০০ কোটি বা ৪৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি। গত বছরের ২৫ অক্টোবর সেই রিজার্ভ কমে হয় ৩ হাজার ৫৮০ কোটি ডলার। গত বুধবার রিজার্ভ ২ হাজার ৬৭০ কোটি ডলারে নেমেছে।</span></p>
<div id="64c859de-d4ee-4f30-9969-ac3377500c6d">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>এর বাইরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা শুধু আইএমএফকে দেওয়া হয়। সেই হিসাব প্রকাশ করা হয় না। আইএমএফ সূত্রে জানা গেছে, সেই হিসাবে দেশের প্রকৃত রিজার্ভ এখন ১ হাজার ৭০০ কোটি বা ১৭ বিলিয়ন ডলারের কম।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="52d11608-e8d1-482b-a13f-4d4c558c6f78">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>বাংলাদেশকে দেওয়া আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণের বেশ কয়েকটি শর্তের মধ্যে আছে আগামী ডিসেম্বরে প্রকৃত রিজার্ভ ২ হাজার ৬৮০ ডলারে রাখা। তবে শর্ত অনুযায়ী রিজার্ভ রাখতে পারবে না বলে আইএমএফকে জানিয়েছে বাংলাদেশ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আইএমএফ শর্ত শিথিল করেছে। নতুন লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে, প্রকৃত (নিট) রিজার্ভ রাখতে হবে ডিসেম্বরের মধ্যে ১ হাজার ৮০০ কোটি এবং আগামী বছরের জুনের মধ্যে ২ হাজার কোটি ডলার।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="db363950-e2b6-4203-bcac-2e8fef2a7d01">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element">
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>একটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম সূচক হলো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে এখন প্রকৃত যে রিজার্ভ আছে, তা দিয়ে তিন মাসের আমদানি খরচ মেটানো যাবে, অন্য কোনো খরচ নয়। সাধারণত একটি দেশের কাছে ন্যূনতম তিন মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। সেই হিসাবে বাংলাদেশ এখন শেষ প্রান্তে রয়েছে বলা যায়।</p>
<p></p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div> ]]></description>
        <enclosure url="http://bangladeshtodays.com/uploads/images/202310/image_870x580_653b324f8a659.jpg" length="75331" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Fri, 27 Oct 2023 09:45:42 +0600</pubDate>
        <dc:creator>Bangladesh Todays</dc:creator>
        <media:keywords>সর্বশেষ খবর, তাজা খবর, latest news, Bangla News, Today news, Live news, Virul news, Khobor, 24 khobor, ajker khobor</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>আজ থেকে মিলবে না খোলা সয়াবিন তেল</title>
        <link>https://bangladeshtodays.com/আজ-থেকে-মিলবে-না-খোলা-সয়াবিন-তেল</link>
        <guid>https://bangladeshtodays.com/আজ-থেকে-মিলবে-না-খোলা-সয়াবিন-তেল</guid>
        <description><![CDATA[ <p class="alignfull">গত ২৬ জুলাই ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি বিষয়ক অবহিতকরণ কর্মশালায় এ বিষয়ে অভিযানের কথা জানান জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) এএইচএম সফিকুজ্জামান।</p>
<p class="alignfull">তিনি বলেন, ‘আইন অনুসারে ১ আগস্ট থেকে প্যাকেটজাত সয়াবিন তেল বিক্রি করতে হবে, খোলা তেল বিক্রি করা যাবে না। আমরা খোলা তেল বিক্রি বন্ধে মাঠে নামবো।’</p>
<p class="alignfull">বর্তমানে দেশের মোট ভোজ্যতেলের চাহিদার ৩০ শতাংশ পূরণ করে সয়াবিন তেল। বাকি ৭০ শতাংশ পাম, সুপার পাম ও সরিষার তেল দিয়ে পূরণ করা হয়।</p>
<p class="alignfull"><span>এদিকে, দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া মোট সয়াবিন তেলের অর্ধেক বিক্রি হয় বোতলজাত অবস্থায়। বাকি অর্ধেক খোলাভাবে। তবে ওজনে কম দেওয়া, ভেজাল বন্ধ ও পুষ্টির মান বজায় রাখতে খোলা সয়াবিন বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</span></p>
<div class="ittefaq_Inner_A1C1 aligncenter pt10 pb10 w100">
<div class="aw300">
<div id="Ittefaq_Inner_Article1_Content1" data-google-query-id="COSoj-DFuoADFVmXZgIdbqALwg"></div>
</div>
</div> ]]></description>
        <enclosure url="http://bangladeshtodays.com/uploads/images/202308/image_870x580_64c87fc8ead4c.jpg" length="85454" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Tue, 01 Aug 2023 09:45:20 +0600</pubDate>
        <dc:creator>Bangladesh Todays</dc:creator>
        <media:keywords></media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>বাজার থেকে যেসব নোট তুলে নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক</title>
        <link>https://bangladeshtodays.com/বাজার-থেকে-যেসব-নোট-তুলে-নেবে-বাংলাদেশ-ব্যাংক</link>
        <guid>https://bangladeshtodays.com/বাজার-থেকে-যেসব-নোট-তুলে-নেবে-বাংলাদেশ-ব্যাংক</guid>
        <description><![CDATA[ <p>বাজারে নিরবচ্ছিন্নভাবে পরিচ্ছন্ন নোটের প্রচলন নিশ্চিত করতে পরিচ্ছন্ন নোট নীতিমালার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নীতিমালা অনুযায়ী, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে সৃষ্ট বা ব্যবহারের কারণে ময়লাযুক্ত, ছেঁড়া-ফাটা, আগুনে ঝলসানো, ডাম্প, মরিচাযুক্ত, অধিক কালিযুক্ত, অধিক লেখাযুক্ত, স্বাক্ষরযুক্ত, বিভিন্ন খণ্ডে খণ্ডিত নোট প্রত্যাহার করা হবে।</p>
<p><span>আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কারেন্সি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে ওই নীতিমালা সব ব্যাংকে পাঠিয়েছে।</span></p>
<p class="rtejustify">বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২ এর ২৩(১) ধারা মোতাবেক বাজারে পরিচ্ছন্ন নোট প্রচলন করা বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যতম দায়িত্ব। ওই ধারায় উল্লেখ আছে- ব্যাংক ছেঁড়া, বিকৃত বা অত্যধিক নোংরা নোট পুনঃইস্যু করবে না। এই উদ্দেশ্য অর্জনে বাংলাদেশ ব্যাংক সময়ে সময়ে বিভিন্ন নীতি বা পদ্ধতি প্রণয়ন করে। ওই নীতি ও পদ্ধতি অনুযায়ী প্রচলনে থাকা পুরাতন, ধ্বংসযোগ্য ও অযোগ্য নোট যথাযথভাবে ধ্বংস করা হয় এবং নতুন নোটের মাধ্যমে প্রতিস্থাপন করা হয়।</p>
<p class="rtejustify">এরপরও বাজারে অপ্রচলনযোগ্য ও ত্রুটিপূর্ণ নোট হিসেবে অধিক ময়লাযুক্ত, ছেঁড়া-ফাটা, আগুনে ঝলসানো, ডাম্প, মরিচাযুক্ত, অধিক কালিযুক্ত, অধিক লেখালেখি, স্বাক্ষরযুক্ত ও বিভিন্ন খণ্ডে খণ্ডিত নোটের আধিক্য দেখা যাচ্ছে। তাই প্রচলনে থাকা ব্যাংক নোটের নিরাপত্তা, গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি এবং নোটের সামগ্রিক অবস্থার উন্নতিতে উল্লেখিত নোট বাজার থেকে দ্রুত প্রত্যাহার ও ধ্বংস করে নতুন নোট প্রতিস্থাপনে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচ্ছন্ন নোট নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।</p>
<div class="mb-20 mr-20 hide-for-print dfp-tag-wrapper text-center ">
<div id="dfp-ad-bn_four_banner-wrapper" class="dfp-tag-wrapper"></div>
</div> ]]></description>
        <enclosure url="http://bangladeshtodays.com/uploads/images/202307/image_870x580_64bfa481d05db.jpg" length="48109" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Tue, 25 Jul 2023 16:31:42 +0600</pubDate>
        <dc:creator>Bangladesh Todays</dc:creator>
        <media:keywords>সর্বশেষ খবর, তাজা খবর, latest news, Bangla News, Today news, Live news, Virul news, Khobor, 24 khobor, ajker khobor</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>বাংলাদেশে রপ্তানির বড় উৎস হতে পারে ‘সফটশেল’ কাঁকড়া</title>
        <link>https://bangladeshtodays.com/বাংলাদেশে-রপ্তানির-বড়-উৎস-হতে-পারে-সফটশেল-কাঁকড়া</link>
        <guid>https://bangladeshtodays.com/বাংলাদেশে-রপ্তানির-বড়-উৎস-হতে-পারে-সফটশেল-কাঁকড়া</guid>
        <description><![CDATA[ <div dir="ltr" class="bbc-19j92fr ebmt73l0">
<p dir="ltr" class="bbc-12k5sdr e17g058b0"><b>বাংলাদেশ থেকে এই মূহুর্তে বিদেশে রপ্তানি করা মংস্য সম্পদের মধ্যে চিংড়ির পরই সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনাময় পণ্য হচ্ছে কাঁকড়া। এর মধ্যে কাঁকড়ার শক্ত খোলসের মধ্যে নরম খোসার কাঁকড়া, যাকে সফটশেল কাঁকড়া বলে তার চাহিদা বিদেশে বাড়ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।</b></p>
</div>
<div dir="ltr" class="bbc-19j92fr ebmt73l0">
<p dir="ltr" class="bbc-12k5sdr e17g058b0">বাংলাদেশে যেসব জেলায় সফটশেল কাঁকড়া উৎপাদিত হয় তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সাতক্ষীরা জেলা। এই জেলার মৎস্য কর্মকর্তা আনিছুর রহমান বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, জুন-অগাস্ট মাসে বিশেষ করে সফটশেল কাঁকড়ার চাহিদা বিদেশে বেশি থাকে।</p>
</div>
<div dir="ltr" class="bbc-19j92fr ebmt73l0">
<p dir="ltr" class="bbc-12k5sdr e17g058b0">“সফটশেল কাঁকড়া যেটা এটারই বেশি চাহিদা এখন। বছরে এটাই প্রায় দুই হাজার মেট্রিক টনের মতো উৎপাদিত হয়,” বলেছেন মি. রহমান।</p>
</div>
<div dir="ltr" class="bbc-19j92fr ebmt73l0">
<p dir="ltr" class="bbc-12k5sdr e17g058b0">“এমনকি কাঁকড়া যেটা হার্ড থাকে সেটা খাওয়াটা বেশ কষ্টকর। আর এটার যেহেতু শেল থাকে না, সফট হয়ে যায় পুরো বডিটা, তাই যেকোন বয়সের মানুষ এটা খেতে পারে,” বলেন তিনি।</p>
<div dir="ltr" class="bbc-19j92fr ebmt73l0">
<p dir="ltr" class="bbc-12k5sdr e17g058b0">খুলনা বিভাগীয় মৎস্য পরিদর্শন ও মাননিয়ন্ত্রণ দপ্তরের কর্মকর্তা লিপ্টন সর্দার বিবিসি বাংলাকে বলেন, সফটশেল কাঁকড়ার রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে।</p>
</div>
<div dir="ltr" class="bbc-19j92fr ebmt73l0">
<p dir="ltr" class="bbc-12k5sdr e17g058b0">গত চার বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের সফটশেল কাঁকড়ার রপ্তানি উর্ধ্বমুখী রয়েছে।</p>
</div>
</div> ]]></description>
        <enclosure url="http://bangladeshtodays.com/uploads/images/202307/image_870x580_64bd111f47b7d.jpg" length="109492" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Sun, 23 Jul 2023 17:38:17 +0600</pubDate>
        <dc:creator>Bangladesh Todays</dc:creator>
        <media:keywords>সর্বশেষ খবর, তাজা খবর, latest news, Bangla News, Today news, Live news, Virul news, Khobor, 24 khobor, ajker khobor</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>রেকর্ড পরিমাণ টাকা ছাপিয়ে সরকারকে দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক</title>
        <link>https://bangladeshtodays.com/রেকর্ড-পরিমাণ-টাকা-ছাপিয়ে-সরকারকে-দিচ্ছে-কেন্দ্রীয়-ব্যাংক</link>
        <guid>https://bangladeshtodays.com/রেকর্ড-পরিমাণ-টাকা-ছাপিয়ে-সরকারকে-দিচ্ছে-কেন্দ্রীয়-ব্যাংক</guid>
        <description><![CDATA[ <div dir="ltr" class="bbc-19j92fr ebmt73l0">
<p dir="ltr" class="bbc-12k5sdr e17g058b0"><b>বাংলাদেশে চলতি অর্থ বছরের শুরুতেই রেকর্ড পরিমাণ টাকা ছাপিয়ে সরকারকে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বিশেষজ্ঞরা বলছেন বাজেট ঘাটতি মেটাতে চলতি বছরে টাকা ছাপিয়ে সরকারকে দেয়ার ক্ষেত্রে আরও বড় রেকর্ড করার শঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা প্রকারান্তরে মূল্যস্ফীতিকেই আরও বাড়িয়ে তুলবে।</b></p>
</div>
<div dir="ltr" class="bbc-19j92fr ebmt73l0">
<p dir="ltr" class="bbc-12k5sdr e17g058b0">এর আগে সাধারণত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকেই সরকার বেশী টাকা ধার করতো। কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে কিছু ধার করলেও তার পরিমাণ ছিলো তুলনামূলক কম।</p>
</div>
<div dir="ltr" class="bbc-19j92fr ebmt73l0">
<p dir="ltr" class="bbc-12k5sdr e17g058b0">কিন্তু এখন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর সেই অর্থে সক্ষমতা না থাকার কারণে সরাসরি কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকা ছাপিয়ে সরকারকে ধার দেয়ার ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করতে শুরু করেছে।</p>
</div>
<div dir="ltr" class="bbc-19j92fr ebmt73l0">
<p dir="ltr" class="bbc-12k5sdr e17g058b0">কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী চলতি অর্থ বছরের প্রথম আঠার দিনেই সরকারকে সহায়তা করতে ট্রেজারি বিল ও ট্রেজারি বন্ডের মাধ্যমে দশ হাজার আটশ কোটি টাকা সরকারকে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।</p>
<div dir="ltr" class="bbc-19j92fr ebmt73l0">
<p dir="ltr" class="bbc-12k5sdr e17g058b0">অথচ গত অর্থবছরের পুরো সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকার মোট ধার করেছিলো ৭৮ হাজার কোটি টাকার সামান্য বেশি।</p>
</div>
<div dir="ltr" class="bbc-19j92fr ebmt73l0">
<p dir="ltr" class="bbc-12k5sdr e17g058b0">কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া মানেই হচ্ছে নতুন করে ছাপানো টাকা বাজারে ছাড়া হচ্ছে। আর কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা বাজারে গেলে পরবর্তীতে এই টাকার পরিমাণ পাঁচগুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে।</p>
</div>
<div dir="ltr" class="bbc-19j92fr ebmt73l0">
<p dir="ltr" class="bbc-12k5sdr e17g058b0">আর এই নতুন টাকা সরবরাহের বিপরীতে নতুন করে চাহিদা তৈরি করবে, যা মূলত দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে দেবে।</p>
</div>
</div> ]]></description>
        <enclosure url="http://bangladeshtodays.com/uploads/images/202307/image_870x580_64bd108163030.jpg" length="108683" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Sun, 23 Jul 2023 17:35:42 +0600</pubDate>
        <dc:creator>Bangladesh Todays</dc:creator>
        <media:keywords>সর্বশেষ খবর, তাজা খবর, latest news, Bangla News, Today news, Live news, world news, Bangladesh Todays, News today, 24 news, news 24, বিশ্ব</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>৩০ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন ঘোষণা, নিতে পারবে বাংলাদেশও</title>
        <link>https://bangladeshtodays.com/৩০-বিলিয়ন-ডলারের-অর্থায়ন-ঘোষণা-নিতে-পারবে-বাংলাদেশও</link>
        <guid>https://bangladeshtodays.com/৩০-বিলিয়ন-ডলারের-অর্থায়ন-ঘোষণা-নিতে-পারবে-বাংলাদেশও</guid>
        <description><![CDATA[ <p>রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। তাই, ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এ সংকট মোকাবিলায় ৩০ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশ কোনো কর্মসূচি নিলে এ অর্থায়ন নিতে পারবে।</p>
<p>শুক্রবার (২১ জুলাই) বিশ্বব্যাংকের ওয়াশিংটন কার্যালয় থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>কৃষি, পুষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা, পানি এবং সেচের মতো ক্ষেত্রে বিদ্যমান এবং নতুন প্রকল্পগুলোতে ৩০ বিলিয়ন অর্থায়ন করবে। চলমান খাদ্য নিরাপত্তা সংকটের একটি ব্যাপক, বৈশ্বিক প্রতিক্রিয়ার অংশ হিসেবে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে। এ অর্থায়নের মধ্যে খাদ্য ও সার উৎপাদনকে উৎসাহিত করা, খাদ্য ব্যবস্থা উন্নত করা, বৃহত্তর বাণিজ্য সহজতর করা এবং গরিব পরিবার ও উৎপাদকদের সহায়তা করার প্রচেষ্টা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।</p>
<p>বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ডেভিড ম্যালপাস বলেছেন, খাদ্যের দাম বাড়ার ফলে সবচেয়ে দরিদ্র এবং সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের ওপর বেশি প্রভাব পড়ছে।নিত্যপণ্যের বাজারগুলোকে স্থিতিশীল করার জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এমন কর্মসূচি। এ জন্য খাদ্য উৎপাদক দেশগুলোতে জ্বালানি ও সারের সরবরাহ বাড়াতে হবে, কৃষকদের রোপণ এবং ফসলের ফলন বাড়াতে সাহায্য করতে হবে। এছাড়া বৈশ্বিক রপ্তানি ও আমদানি বাধাগ্রস্ত করে, খাদ্য, জৈব জ্বালানির পক্ষে নয়, এমন নীতি অপসারণ করতে সমন্বিত প্রচেষ্টা দরকার।</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://bangladeshtodays.com/uploads/images/202307/image_870x580_64bb3be8141df.jpg" length="96413" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Sat, 22 Jul 2023 08:16:31 +0600</pubDate>
        <dc:creator>Bangladesh Todays</dc:creator>
        <media:keywords>বাণিজ্য, ব্যবসা, সর্বশেষ খবর, তাজা খবর, latest news, Bangla News, Today news, Live news, world news, Bangladesh Todays, News today, 24 news, news 24, বিশ্ব, business news</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>টাকা ছাপিয়ে ঘাটতি মেটালে সংকট আরও ভয়াবহ হবে</title>
        <link>https://bangladeshtodays.com/টাকা-ছাপিয়ে-ঘাটতি-মেটালে-সংকট-আরও-ভয়াবহ-হবে</link>
        <guid>https://bangladeshtodays.com/টাকা-ছাপিয়ে-ঘাটতি-মেটালে-সংকট-আরও-ভয়াবহ-হবে</guid>
        <description><![CDATA[ <p>প্রস্তাবিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জাতীয় বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে প্রায় ২ লাখ ৬২ হাজার কোটি টাকা। এর বড় অংশই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে মেটানোর কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ব্যাংকিং খাতে যে অবস্থা চলছে, তাতে এখান থেকে টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। সেক্ষেত্রে একমাত্র পথ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা ছাপানো। আর এ পরিস্থিতিতে টাকা ছাপালে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা আরও ভয়াবহ হবে। </p>
<p>রোববার রাজধানীর স্থানীয় একটি হোটেলে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত বাজেট সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। </p>
<p>তাদের মতে, ব্যবসা-বাণিজ্যের খরচ যেভাবে বাড়ছে, তাতে সত্যিকারের ব্যবসায়ীদের টিকে থাকা অসম্ভব। এ অবস্থায় গার্মেন্ট শ্রমিকদের মজুরি অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে না। এছাড়া জবাবদিহিতা ছাড়া সুষ্ঠুভাবে বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন। </p>
<p>সিপিডি বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। এ সময় বক্তারা বলেন, চলমান সংকট সমাধানে বাজেটে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেই। এ ছাড়া এজেন্টের মাধ্যমে কর আদায়ের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেন তারা।  </p>
<p>অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পলিসি রিসার্স ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর, সাবেক মন্ত্রী ও জাতীয় পার্টি নেতা আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, সিপিডির বিশেষ ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (ডিসিসিআই) সভাপতি মো. সামীর সাত্তার, কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা ড. এম শামসুল আলম, ইংরেজি দৈনিক ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ, মেজর জেনারেল (অব.) আমছা আমিন, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজের (বিএপিএলসি) সভাপতি আনিস-উদ-দৌলা, গার্মেন্ট মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র পরিচালক আরশাদ জামাল দীপু, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল এবং বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপতি তাসলিমা আক্তার লিমা। তাদের মতে, করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকা করা উচিত। </p>
<p>ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা অত্যন্ত কম। বাংলাদেশের মতো দেশে এই বরাদ্দ আরও বাড়ানো উচিত। </p>
<p>তিনি বলেন, এবারের বাজেটে ২ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি ঘাটতি রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ব্যাংক থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু বর্তমানে ব্যাংকিং খাতের যে অবস্থা, তাতে এখান থেকে টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। ফলে একমাত্র পথ হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা ছাপানো। কিন্তু এভাবে টাকা ছাপানো হলে, বর্তমানে অর্থনীতিতে যে সংকট চলছে, তা ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। বাড়বে মূল্যস্ফীতি। </p>
<p>ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, সোমালিয়া এবং রাশিয়াসহ আরও কয়েকটি দেশ এভাবে মুদ্রা ছাপিয়ে চরম মূল্য দিয়েছে। তিনি বলেন, দেশের আর্থিক খাতে আস্থার সংকট চলছে। ব্যাংকিং খাতের পাশাপাশি শেয়ারবাজারও ভালো নেই। ফ্লোর প্রাইসের (নিুসীমা) কারণে আটকে আছে বাজার। </p>
<p>রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, বাজেটে শিক্ষা উপকরণের দাম বাড়ানো হয়েছে। এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। ইউনেস্কো বলে, বাংলাদেশে শিক্ষার ব্যয় ৭০ শতাংশই অভিভাবকদের পকেট থেকে দিতে হয়। তিনি বলেন, নতুন আয়কর আইনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এনজিওকে লাভজনক কোম্পানির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি দেখে আমরা হতভম্ব। </p>
<p>ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, রাজস্ব সংগ্রহে মরিয়া সরকার। তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কোম্পানি হিসাবে বিবেচনা গ্রহণযোগ্য নয়। নির্বাচনি বছরে একটি রাজনৈতিক সরকারের এ রকম বাজেটীয় পদক্ষেপ হতে পারে না। তিনি বলেন, এটি কোনো রাজনীতির ভেতরে পড়ে না। কীভাবে সরকারি ও বিরোধী দল মিলে এটাকে অনুমোদন দিল আমার বুঝে আসে না। এটি অবৈজ্ঞানিক, অবাস্তব এবং আমলাতান্ত্রিক পদক্ষেপ। </p>
<p>তার মতে, এখনো বিষয়টি একটি খসড়া। এখনো পরিবর্তনের সুযোগ আছে। আমরা আশা করছি, সরকার এটি পরিবর্তন করবে। </p>
<p>ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, বাজেটের অন্যতম চ্যালেঞ্জ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। এখানে মুদ্রার বিনিময় হার ও সুদের হারের মধ্যে সমন্বয় রাখতে হবে। তিনি বলেন, মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক কাঠামোতে পরিবর্তন জরুরি। শামসুল হক জাহিদ বলেন, শেয়ারবাজারের ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়া হলে বাজারে বিপর্যয় হবে। তিনি বলেন, এখানে সরকারি কোম্পানি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করা যায়। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তা আটকে আছে। </p>
<p>মো. সামীর সাত্তার বলেন, সরকার রাজস্ব আয় বাড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু এক্ষেত্রে উপজেলা পর্যায়ে কর কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে হবে। তিনি বলেন, চলতি বছরে বিনিয়োগ বাড়বে না। ফলে এটি রক্ষণশীল বিনিয়োগের বছর। কিন্তু মূল্যস্ফীতি বাড়বে। আর সরকার ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ঋণ নিলে ব্যবসায়ীদের ঋণ পাওয়ার সম্ভাবনা কমবে। এবারের বাজেটে সরকার করমুক্ত আয়সীমা সাড়ে ৩ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেছে। তার মতে, বর্তমান মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় নিয়ে এটি আরও বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকা করা উচিত। </p>
<p>ড. শামসুল আলম বলেন, বর্তমানে ৮০ শতাংশ মানুষ আর্থিক সংকটে রয়েছে। এখান থেকে উত্তরণ জরুরি। তার মতে, শহরে ও গ্রামে বিদ্যুতের সংকট চলছে। আর এই সংকট কাটাতে না পারলে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হবে। তিনি বলেন, বিদ্যুতের উচ্চমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর সুবিধা সাধারণ মানুষ পায় না। </p>
<p>আশরাদ জামাল দীপু বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের খরচ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বর্তমানে বিদ্যুতের দাম অনেক বেশি। এরপরও বিদ্যুৎ মিলছে না। এ অবস্থায় সত্যিকারের ব্যবসায়ীদের টিকে থাকা কঠিন। তিনি বলেন, প্রতিবছর গার্মেন্ট শ্রমিকদের বেতন ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়। এরপরও নির্বাচন সামনে রেখে সরকার পোশাক খাতে অস্বাভাবিকভাবে মজুরি বৃদ্ধির উদ্যোগ নিলে তা এ খাতের জন্য কঠিন হবে। অন্য ব্যবসায়ীরা বলেন, বর্তমানে ব্যবসা-বাণি</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://bangladeshtodays.com/uploads/images/202307/image_870x580_64b8d6671a01e.jpg" length="82211" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 20 Jul 2023 12:39:19 +0600</pubDate>
        <dc:creator>Bangladesh Todays</dc:creator>
        <media:keywords>সর্বশেষ খবর, তাজা খবর, latest news, Bangla News, Today news, Live news, world news, Bangladesh Todays, News today, 24 news, news 24, বিশ্ব</media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>বাংলাদেশসহ বহু দেশের রিজার্ভ নিম্নমুখী</title>
        <link>https://bangladeshtodays.com/বাংলাদেশসহ-বহু-দেশের-রিজার্ভ-নিম্নমুখী</link>
        <guid>https://bangladeshtodays.com/বাংলাদেশসহ-বহু-দেশের-রিজার্ভ-নিম্নমুখী</guid>
        <description><![CDATA[ <p><span>বৈশ্বিক মন্দায় বিশ্বের প্রায় সব দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমেছে। ফলে ডলারের সংকট বেড়েছে। এতে ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রার মান কমেছে। ফলে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে। বৈদেশিক খাত বিবেচনায় বেশিরভাগ দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা দুর্বল অবস্থানে চলে গেছে। শক্তিশালী অবস্থানে আছে হাতেগোনা কয়েকটি দেশ। তবে আশার কথা হচ্ছে, প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুতগতিতে বৈশ্বিক অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে।</span></p>
<p>বুধবার আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ) থেকে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের অন্য এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমছে। একই সঙ্গে চলতি হিসাবে ঘাটতি বেড়ে গিয়ে এখন আবার কমতে শুরু করেছে। বৈদেশিক খাতের দিক থেকেই বিশেষ করে ডলার সংকটে টাকার মান পড়ে যাচ্ছে। টাকার মান ধরে রাখতে ও বৈদেশিক দেনা শোধে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাচ্ছে।</p>
<p>প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে বেশিরভাগ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে গেছে। যেসব দেশের বৈদেশিক মুদ্রা খরচের চেয়ে আয় বেশি ছিল তাদের আয় অনেক ক্ষেত্রে কমে গেছে। ফলে অনেকে ঘাটতির প্রান্তসীমায় (বর্ডার লাইন) পৌঁছেছে।</p>
<p>আলোচ্য সময়ের ব্যবধানে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, জাপানসহ অনেক দেশের রিজার্ভ কমেছে। তবে বেড়েছে সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, সুইডেন ও তুরস্কের।</p>
<p>বৈদেশিক মুদ্রা বা ডলার আয়ের চেয়ে খরচ বেশি হওয়ায় অনেক দেশে সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। ফলে ওইসব দেশ অর্থনৈতিকভাবে সংকটে পড়েছে।</p>
<p>বৈদেশিক মুদ্রার সংকটের কারণে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে আর্জেন্টিনা ও ইটালির অবস্থান দুর্বল। অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, চীন, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, কোরিয়া, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, স্পেন, সুইজারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি বেশ ভালোভাবেই দুর্বলতার দ্বারপ্রান্ত দিয়ে এগোচ্ছে। বেলজিয়াম ভালোভাবেই দুর্বল হয়ে পড়েছে। কানাডা, ফ্রান্স, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে এখন পর্যন্ত মাঝারি মানের দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে। জার্মানি, মালয়েশিয়া, রাশিয়া, থাইল্যান্ড ও সুইডেন শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। ভারত, সিঙ্গাপুর, সৌদি আরব যথেষ্ট শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।</p>
<p>প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২২ সালে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩৩৭৭ কোটি ডলার। ২০২১ সালে ছিল ৪৬১৫ কোটি ডলার। এক বছরের হিসাবে দেশের রিজার্ভ কমেছে ১২৩৮ কোটি ডলার। ২০২২ সালে সরকারের বৈদেশিক মুদ্রার চলতি হিসাবে ঘাটতি ছিল ১৮৬৪ কোটি ডলার। বর্তমানে বাংলাদেশের রিজার্ভ ২৯৯৭ কোটি ডলার। এ হিসাবে রিজার্ভ কমেছে ১৬১৮ কোটি ডলার।</p>
<p>অস্ট্রেলিয়ার রিজার্ভ ২০২১ সালে ছিল ৫৮০০ কোটি ডলার, গত বছর তা কমে ৫৭০০ কোটি ডলারে নেমেছে। ওই সময়ে জিডিপির হিসাবে রিজার্ভ ৩.৫ শতাংশ থেকে কমে ৩.৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।</p>
<p>কানাডার রিজার্ভ একই সময়ে ১০ হাজার ৭০০ ডলারে অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে জিডিপির হিসাবে তা ৫.৩ শতাংশ থেকে কমে ৫ শতাংশ হয়েছে। জিডিপির আকার কিছুটা বাড়ায় রিজার্ভের অনুপাত কমেছে।</p>
<p>ইউরোপীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মোট রিজার্ভ ২০২১ সালে ছিল ১ লাখ ১৯ হাজার ৬০০ কোটি ডলার। গত বছর তা কমে ১ লাখ ১৮ হাজার ৫০০ কোটি ডলারে নেমেছে। এদিকে জিডিপির হিসাবে রিজার্ভ ৮.২ শতাংশ বেড়ে ৮.৪ শতাংশ হয়েছে। কারণ গত বছর জিডিপির আকার কমে গেছে। যে কারণে ডিজিপির হিসাবে বেড়েছে।</p>
<p>জাপানের রিজার্ভ ২০২১ সালে ছিল ১ লাখ ৪০ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। গত বছর তা কমে ১ লাখ ২ হাজার ৮০০ কোটি ডলার হয়েছে। তবে জিডিপির হিসাবে ২৮.১ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৯ শতাংশ হয়েছে। গত বছর অর্থনৈতিক মন্দায় জিডিপির আকার কমায় রিজার্ভের অনুপাত বেড়েছে।</p>
<p>সিঙ্গাপুরের রিজার্ভ আলোচ্য সময়ে ৪২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার থেকে কমে ২৮ হাজার ৯০০ কোটি ডলার হয়েছে। এই সময়ে জিডিপির হিসাবে রিজার্ভের অনুপাত ১০০.৩ শতাংশ থেকে কমে ৬২ শতাংশ হয়েছে। রিজার্ভ কমার পাশাপাশি দেশটি অর্থনৈতিক মন্দায়ও কাবু হয়েছে।</p>
<p>সুইজারল্যান্ডের রিজার্ভ ১ লাখ ১১ হাজার থেকে কমে ৯২ হাজার ৮০০ কোটি ডলার হয়েছে। জিডিপির হিসাবে ১৩৮.৮ শতাংশ থেকে কমে ১১১ শতাংশ হয়েছে।</p>
<p>যুক্তরাজ্যের রিজার্ভ আলোচ্য সময়ে ১৯ হাজার ৪০০ কোটি ডলার থেকে কমে ১৭ হাজার ৬০০ কোটি ডলার হয়েছে। জিডিপির হিসাবে ৬.২ শতাংশ থেকে কমে ৫.৭ শতাংশ হয়েছে।</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের রিজার্ভ ২০২১ সালে ছিল ৭১ হাজার ৬০০ কোটি ডলার। গত বছর তা কমে ৭০ হাজার ৭০০ কোটি ডলার নেমেছে। জিডিপির হিসাবে ৩.১ শতাংশ থেকে কমে ২.৮ শতাংশ হয়েছে।</p>
<p>আজেন্টিনার রিজার্ভ ওই সময়ে ৪ হাজার কোটি ডলার থেকে বেড়ে সাড়ে ৪ হাজার কোটি ডলার হয়েছে। জিডিপির হিসাবে ৮.১ শতাংশ থেকে কমে ৭.১ শতাংশ হয়েছে। দেশটির অর্থনৈতিক সংকট প্রকট হওয়ায় রিজার্ভ সামান্য বাড়লেও মুদ্রার মান ভয়াবহভাবে কমে যাচ্ছে। ফলে মূল্যস্ফীতির হারও বেড়ে যাচ্ছে।</p>
<p>ব্রাজিলের রিজার্ভ আলোচ্য সময়ে ৩৬ হাজার ২০০ কোটি ডলার থেকে কমে ৩২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার হয়েছে। জিডিপির হিসাবে ২২ শতাংশ থেকে কমে ১৬.৯ শতাংশ হয়েছে।</p>
<p>চীনের রিজার্ভ ২০২১ সালে ছিল ৩ লাখ ৪২ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। গত বছর তা ৩ লাখ ১২ হাজার ৮০০ কোটি ডলারে নেমেছে। জিডিপির হিসাবে ১৯.৩ থেকে কমে ১৭.৩ শতাংশ হয়েছে।</p>
<p>ভারতের রিজার্ভ আলোচ্য সময়ে ৬৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলার থেকে কমে ৫৬ হাজার ৭০০ কোটি ডলার হয়েছে। জিডিপির হিসাবে ২০.৩ শতাংশ থেকে কমে ১৬.৮ শতাংশ হয়েছে।</p>
<p>ইন্দোনেশিয়ার রিজার্ভ একই সময়ে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি ডলার থেকে কমে ১৩ হাজার ৭০০ কোটি ডলার হয়েছে। জিডিপির হিসাবে তা ১২.২ শতাংশ থেকে কমে ১০.৪ হয়েছে।</p>
<p>মালয়েশিয়ার রিজার্ভ ২০২১ সালে ছিল ১১ হাজার ৭০০ কোটি ডলার। সেখান থেকে কমে ১১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার হয়েছে। জিডিপির হিসাবে তা ৩১.৩ শতাংশ থেকে কমে ২৮.১ হয়েছে।</p>
<p>রাশিয়ার রিজার্ভ ৬৩ হাজার ২০০ কোটি ডলার থেকে কমে ৫৮ হাজার ২০০ কোটি ডলার হয়েছে। জিডিপির হিসাবে তা ৩৪.৪ শতাংশ থেকে কমে ২৬.৩ শতাংশ হয়েছে।</p>
<p>থাইল্যান্ডের রিজার্ভ একই সময়ে ২৪ হাজার ৬০০ কোটি ডলার থেকে কমে ২১ হাজার ৭০০ কোটি ডলারে নেমেছে। জিডিপির হিসাবে তা ৪৮.৭ শতাংশ থেকে কমে ৪০.৪ শতাংশ হয়েছে।</p>
<p>২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে সৌদি আরবের রিজার্ভ ৪৭ হাজার ৪০০ কোটি ডলার থেকে বেড়ে ৪৭ হাজার ৮০০ কোটি ডলার হয়েছে। অবশ্য জিডিপির হিসাবে তা ৫৪.৬ শতাংশ থেকে কমে ৪৩.২ শতাংশ হয়েছে। ওই সময়ে তাদের জিডিপির আকার যেভাবে বেড়েছে সেভাবে রিজার্ভ বাড়েনি। ফলে জিডিপির অনুপাতে রিজার্ভ কমেছে।</p>
<p>একই সময়ে তুরস্কের রিজার্ভ ১১ হাজার কোটি ডলার থেকে বেড়ে ১২ হাজার ৯০০ কোটি ডলার হয়েছে। জিডিপির হিসাবে ১৩.৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৪.২ শতাংশ হয়েছে।</p>
<p>দক্ষিণ আফ্রিকার রিজার্ভ ৫৮০০ কোটি ডলার থেকে বেড়ে ৬১০০ কোটি ডলার হয়েছে। জিডিপির হিসাবে ১৩.৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৪.৯ শতাংশ হয়েছে।</p>
<p>সুইডেনের রিজার্ভ একই সময়ে ৬২০০ কোটি ডলার থেকে বেড়ে ৬৮০০ কোটি ডলার হয়েছে। জিডিপির হিসাবে ৯.৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ১১.৫ শতাংশ হয়েছে।</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://bangladeshtodays.com/uploads/images/202307/image_870x580_64b8d4518e2f6.jpg" length="85117" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 20 Jul 2023 12:33:20 +0600</pubDate>
        <dc:creator>Bangladesh Todays</dc:creator>
        <media:keywords></media:keywords>
    </item>
    <item>
        <title>আড়াই হাজার কোটি টাকা বাজেট সহায়তা দিচ্ছে জাইকা</title>
        <link>https://bangladeshtodays.com/আড়াই-হাজার-কোটি-টাকা-বাজেট-সহায়তা-দিচ্ছে-জাইকা</link>
        <guid>https://bangladeshtodays.com/আড়াই-হাজার-কোটি-টাকা-বাজেট-সহায়তা-দিচ্ছে-জাইকা</guid>
        <description><![CDATA[ <p>বাংলাদেশকে বাজেট সহায়তা হিসেবে সাড়ে ২২ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে জাপান। স্থানীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১১০ টাকা ধরে) এর পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকা। এজন্য জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) সঙ্গে একটি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।</p>
<p>মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব শরিফা খান এবং জাইকার বাংলাদেশের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ইচিগুচি তমোহিদো। ইআরডি ও জাইকা থেকে পাঠানো পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।  </p>
<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য আর্থিক ব্যবস্থাপনা (পাবলিক ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট) শক্তিশালী করতে ডেভেলপমেন্ট পলিসি লোনের অংশ হিসেবে জাপানি ওডিএ (অফিসিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্স) ঋণ দেওয়া হবে। বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে দ্রুতই এ বাজেট সহায়তা ঋণ দেওয়া হবে। এই ঋণের জন্য উন্নয়ন নীতি কর্মসূচি বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি ও ব্যয় ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের মাধ্যমে আর্থিক ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। এ ঋণের বার্ষিক সুদ হার ১ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ১০ বছরের রেয়াতকালসহ ৩০ বছরে পরিশোধ করতে হবে। </p>
<p>ইচিগুচি তমোহিদে বলেন, অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং বাংলাদেশের টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে এ ঋণ চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই তহবিল সরকারের বাজেটের চাহিদা মেটাতে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে এবং সংস্কার পরিকল্পনাকে গতিশীল করতে সহায়তা করবে।</p> ]]></description>
        <enclosure url="http://bangladeshtodays.com/uploads/images/202307/image_870x580_64b8d519535a3.jpg" length="120133" type="image/jpeg"/>
        <pubDate>Thu, 20 Jul 2023 12:33:18 +0600</pubDate>
        <dc:creator>Bangladesh Todays</dc:creator>
        <media:keywords>সর্বশেষ খবর, তাজা খবর, latest news, Bangla News, Today news, Live news, world news, Bangladesh Todays, News today, 24 news, news 24, বিশ্ব</media:keywords>
    </item>
    </channel>
</rss>